এই প্লাটফর্মের সকল পন্য পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর সহায়তায় নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণ উন্নয়ন বিষয়ক কর্মসূচীর সদস্যদের মাধ্যমে উৎপাদিত ও সর্বরাহকৃত। পিকেএসএফ এর সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে পন্যের নিরাপদ উৎপাদন, প্রক্রিয়া ও বাজারজাত করণ নিশ্চিত করতে এর সহায়তা ও মনিটরিং অব্যাহত রেখেছে। আমরা পিকেএসএফ এর সহযোগী সংস্থার সরাসরি তত্বাবধানে উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পন্য প্রচার করি।
পিকেএসএফ (PKSF) নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে কাজ করছে, বিশেষত কৃষি ও পশুপালনে উদ্ভাবনী প্রযুক্তি (যেমন IoT) ব্যবহার করে এবং খামার, দুগ্ধ ও মাংস প্রক্রিয়াকরণে সহায়তা করে, যার মূল লক্ষ্য হলো স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা ও বাজার সম্প্রসারণ করা, যা বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (BFSA) লক্ষ্য ও 《নিরাপদ খাদ্য নীতিমালা》-এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
[start-read-more]
পিকেএসএফ একটি সরকারি সংস্থা হিসেবে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও সহায়তার মাধ্যমে গ্রামীণ পর্যায়ে কাজ করছে, যা দেশব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
উদ্ভাবনী উদ্যোগ: খামারগুলোতে IoT প্রযুক্তি স্থাপন, দুগ্ধ ও মাংস প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র স্থাপন, ভ্যাকসিন হাব তৈরি এবং ভেটেরিনারি ল্যাব সম্প্রসারণ করছে, যা নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনকে উৎসাহিত করে।
কৃষি ও পশুপালন: পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ কৃষি ও পশুপালনের উপর জোর দিচ্ছে, যেমন নিরাপদ মৎস্য ও মৎস্যপণ্য উৎপাদন উপ-প্রকল্প।
বাজার সম্প্রসারণ: নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও বিপণনের জন্য ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তা করছে।
নিরাপদ খাদ্যের মূলনীতি (যা পিকেএসএফ অনুসরণ করে):
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা:
👍আলাদা রাখা: কাঁচা ও রান্না করা খাবার আলাদা রাখা, যাতে জীবাণুর সংক্রমণ না ঘটে।
👍সঠিক রান্না: পর্যাপ্ত সময় ও সঠিক তাপমাত্রায় খাদ্য রান্না করা, যা রোগজীবাণু ধ্বংস করে।
👍সঠিক সংরক্ষণ: রান্না করা খাবার ৫°C এর নিচে এবং পরিবেশনের আগে ভালোভাবে গরম করা।
👍নিরাপদ উপকরণ: নিরাপদ পানি ও কাঁচামাল ব্যবহার করা, ফলমূল ও শাক-সবজি নিরাপদ পানি দিয়ে ধোয়া।